Bangladesh Army Tent House
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শীতকালীন মহড়া, এই সময়ে মূলত সৈনিকের এরকম তাবুর ঘরে থাকতে হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে এই মহরা মূলত অনুষ্ঠিত হয় বছরে শেষের দিকে ডিসেম্বর মাস এর শেষের দিকে, যা একমাস ব্যাপী চলে, যা পরবর্তী বছরের শুরু পর্যন্ত চলে। এটা মূলত নির্ভর করে সে বছরের শীতটা মূলত কোন সময়ে বেশি থাকবে সেটা বিবেচনা করে।
শীত কালিন মহরার তারিখ ও সময় ঠিক হওয়ার পর সেনানিবাসে চলতে থাকে এক বিশাল প্রস্তুতি, এটা নিয়ে জানব অন্য সময়ে। এখন জানব মহরাতে তাবুতে কিভাবে খাকতে হয়।এবং সেটা কত সময় থাকা যায়।
শীত কালিন মহরা শুরুর দিনে নিজের ব্যাগ, থাকার জন্য কম্বল এবং প্রয়জনীয় সব কিছু গাড়িতে থাকে, যা কোম্পানি অনুযায়ী সকলের মালামাল একটা গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, গাড়িতে করে সেনানিবাস থেকে কিছূ দূরে নামিয়ে দেওয়া হয়, সাথে শুধু মাটি খননের যন্ত্র এবং অস্ত্র থাকে।
গাড়ি যেখানে নামিযে দেয় সেখান থেকে, মহরার স্থান কমকরে হলেও ২০-২৫ কিলোমিটার দুরে হয়। গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়, বিকেলের দিকে। সেখান থেকে বাকি এই রাস্তা হেটে যেতে হয়, সেখানে পৌছাতে রাত ১০-১১টা এর মত বাজে। তার পর সকললে তাদের অস্ত্র অনুযায়ী স্থান দেখিয়ে দেওয়া হয় মাটি/বাংকার/পরিখা খননের জন্য। সেখানে বাংকার খনন করতে প্রায় সারা রাত চলে যায়।
সারারাতে বাংকার খনন সম্পন্ন কারার পর সারাদিন সেখানে ডিউটি করতে হয়, পরের দিন কিছু সৈনিক দ্বারা কোম্পানি রেষ্ট এরিয়া নির্ধারন কারার পর সেখানে, তাবু এবং অন্যান্য জিনিস গুলো আনা হয়। সেখানে কয়েকজনের দ্বারা এই তাবুগু লোকে এই ভাবে দার করানো হয়।
পরের সন্ধার পর সৈনিকরা এই তাবুর কাছে আসতে পারে, এবং যদি কোন স্পেশাল অপারেশন না থাকে তাহলে সেরাতে তারা তাদের, সাথের জিনিস নিয়ে এই তাবুতে অবস্থান করতে পারে। এরকম একটা ছোট তাবুতে সাধারনত দুইজন করে থোকে। এই শীতের সময়ে রাতের বেলা এবং দিনের মিলে একজন সৈনিকের কাছে কিকি থাকে তা জানতে নিরে ছবিটি দেখুন।

এই ছবিটা তোলা হয়েছিলা ২৭, ডিসেম্বর ২০১৯ সালে। এটা কুমিল্লা জেলার পদুয়ার
বাজার বিশ্বরোড থেকে, কাছেই এই স্থানে 23.434796,91.156658
এখানে বৃষ্টিত ভিজে যাওয়া জিনিস সমূহ রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এগুলোর নাম বল্লাম না। আশাকরি দেখে বুঝতে পারবেন।
Related Posts